BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- শনিবার, ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক ‘হাইপারসনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন দাবি উঠে এসেছে ব্লুমবার্গসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে।

এসব প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ‘ডার্ক ঈগল’ নামের গোপন হাইপারসনিক মিসাইল মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং প্রতিপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে যেতে পারে।

যদি এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়, তবে এটিই হবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন। রাশিয়া এবং চীন ইতোমধ্যে এই প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করলেও মার্কিন এই প্রকল্পটি অনেকদিন ধরেই পিছিয়ে ছিল। এটি এখনো পুরোপুরি সচল হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারগুলো এমন দূরত্বে সরিয়ে নিয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান অস্ত্র দিয়ে কার্যকরভাবে হামলা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই এই পরিস্থিতিতে নতুন অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে এনেছে তারা।

অনুমোদন পেলে এটি হবে প্রথমবারের মতো দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষাধীন ‘ডার্ক ঈগল’ ক্ষেপণাস্ত্রের বাস্তব মোতায়েন। এর পাল্লা প্রায় ২,৭৭৬ কিলোমিটারের বেশি বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নতুন করে ইরানে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ব্রিফ করা হচ্ছে বলেও এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্ভাব্য হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত চীন ও রাশিয়ার মতো উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যাদের সামরিক সক্ষমতা ইরানের তুলনায় অনেক বেশি।

এদিকে সাম্প্রতিক ঘটনার মাধ্যমে ইঙ্গিত মিলেছে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কিছু সক্ষমতা এখনো সক্রিয় আছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, তারা আকাশে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দুই দেশই এখন নৌপথে পালটাপালটি চাপ সৃষ্টি করছে এবং কৌশলগতভাবে নিজেদের শক্তি পুনর্গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে, ধারণা বিশ্লেষকদের।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সামরিক ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে এবং অস্ত্রের মজুতেও চাপ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে শান্তি আলোচনা এখনও অচলাবস্থায় রয়েছে, ফলে পরিস্থিতিও অনিশ্চিত। #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ
‘মিটিংয়ে ডেকে পরিচালক আমাকে বিকিনি পরে দেখাতে বলেন’ লেবাননে ধর্মীয় স্কুলে হামলা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে প্রশ্ন স্পিকারের মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলো মিত্রদের রক্ষা করতে পারে না : মোজতবা খামেনি ফের হামলা হলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোও তাদের ঘাঁটির মতো পুড়বে : আইআরজিসি জনগণের কল্যাণে আমরা কাজ করে যাবো : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী গত ১৭ বছর বাংলাদেশের শ্রমিকেরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল : ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ল মার্কিন বিমানবাহী রণতরী জেরাল্ড আর. ফোর্ড চাঁদপুরে জাটকা ধরায় দুই মাসে ৭ শতাধিক জেলের কারাদণ্ড বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শুভেচ্ছা বিনিময় হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ ইরানের ‘প্রাকৃতিক অধিকার’: পার্লামেন্টের উপ-স্পিকার