লিভারপুলের বিপক্ষে হেরে অস্বস্তিতে টটেনহ্যাম

বিটিসি স্পোর্টস ডেস্ক: প্রিমিয়ার লীগে শীর্ষ চারে শেষ করে চ্যাম্পিয়নস লীগে খেলার সুযোগ আগেই শেষ টটেনহ্যামের। সেটি না হলেও পঞ্চম স্থানে মৌসুম জুড়ে সুসংহত অবস্থায় থেকে ইউরোপা লীগের টিকেট নিশ্চিতের দৌড়ে বাকিদের থেকে অনেক এগিয়ে ছিল স্পার্সরা।তবে এপ্রিলে দলটির টানা বিবর্ণতায় সুযোগ তৈরী হয় বাকি দলগুলোর।
এখনও এগিয়ে থাকলেও অবশ্য রবিবার লিভারপুলের বিপক্ষে ফের হেরে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ার কথা ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে ম্যাচ বাকি থাকা টটেনহ্যামের।
অ্যানফিল্ডে রোববার স্পার্সদের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ৪-২ গোলে জিতেছে লিভারপুল।দাপুটে যে জয়ে শিরোপার ক্ষীণ আশা বেচে থাকল অল রেডসদের।
এ নিয়ে প্রিমিয়ার লীগে টানা ৪ ম্যাচ হারল টটেনহ্যাম।২০০৪-০৫ মৌসুমের টানা ছয় ম্যাচ হারার পর লীগে এত খারাপ সময় আর আসেনি স্পার্সদের।অ্যানফিল্ডে এই নিয়ে ৩০ ম্যাচ লিভারপুলের বিপক্ষে জয়হীনও থাকল দলটি।
হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে লিভারপুলের ৪৫ শতাংশের বিপরীতে ৫৫ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখেছিল টটেনহ্যাম।তবে আক্রমণে যোজন যোজন এগিয়ে ছিল স্বাগতিকেরা।পুরো ম্যাচে ২৫ টি শট নিয়ে ১৩ টিই প্রতিপক্ষের গোলমুখে রেখেছে লিভারপু:বিপরীতে টটেনহ্যামের অন টার্গেট শট ছিল মাত্র ছয়টি।
আক্রমণে দাপট দেখানো ইয়োহেন ক্লপের দল ম্যাচের ৬০ মিনিটের ভেতর ৪-০ গোলের লিড নেয়।শুরুতে মোহামেদ সালাহর পর অ্যান্ডি রবার্টসনের গোলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ক্লপের দল। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ১৫ মিনিটে তাদের পরের দুটি গোল করেন কোডি হাকপো ও হার্ভি এলিয়ট।শেষদিকে স্পার্সদের হয়ে গোল দুটি করে পরাজয়ের ব্যবধান কমান রিশার্লিসন ও সন হিউং-মিন।
৩৬ ম্যাচে ২৩ জয় ও ৯ ড্রয়ে ৭৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে লিভারপুল। সমান ম্যাচে ৮৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল।এক ম্যাচ কম খেলা ম্যানচেস্টার সিটি ৮২ পয়েন্ট নিয়ে আছে দুইয়ে।
৩৫ ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে দলটি।সাধারণত প্রিমিয়ার লীগের পঞ্চম স্থানে শেষ করা দলটি ইউরোপা লীগের টিকেট পায়।এই দৌড়ে স্পার্সদের লড়াই এখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও নিউক্যাসেলের সঙ্গে। #

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.