জামালপুর প্রতিনিধি: মাদক, সন্ত্রাস চাঁদাবাজমুক্ত ও যুবকদের কর্মসংস্থান যুক্ত জামালপুর পৌরসভা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী শাহ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।
তিনি জামালপুর পৌর বিএনপির সাধারণ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাচন করতে তিনি দিনরাত বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক কর্মকান্ডে এবং বিভিন্ন দিবসকে কেন্দ্র করে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিতে প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচনি উঠান বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া নেতাকর্মী ও দলের সর্মথকদের নিয়ে নির্বাচনি মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন তিনি।
পৌরসভা নির্বাচনের দিনক্ষন চুড়ান্ত না হলেও জামালপুর শহরে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা আগাম প্রার্থী হওয়ার জানান দিচ্ছেন। নির্বাচনে বেশ কয়েকজন মেয়র প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও জামালপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তরুন সমাজসেবক শাহ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এর নাম আলোচিত হচ্ছে।
তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে দিন রাত অবিরাম গনগংযোগ করেছেন। পাশাপাশি ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
জানা যায়, প্রায় ১৩৫ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী এই পৌরসভার ইংরেজরা ১৮৪৫ সালে জামালপুরকে প্রশাসনিক মহকুমায় উন্নীত করে। শহরে নাগরিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষে ১৮৬৯ সালে ৪ টি ওয়ার্ড এর নিয়ে গ শ্রেণীর পৌরসভা গঠিত হয়। ১৯৯৮ সালে ৪টি ওয়ার্র্ডকে ১২টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।
বর্তমানে জামালপুর পৌরসভা বাংলাদেশের পুরাতন ও বৃহৎ পৌরসভা হিসেবে প্রথম সারিতে স্থান করে নিয়েছে। বর্তমানে জামালপুর পৌরসভার ৪১ টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে।
পৌরসভার কয়েকটি এলাকা ঘুড়ে জানা যায়, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, অসচ্ছল মানুষকে সহায়তা, বন্যাদূর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান এবং প্রত্যেক বছরের ঈদ উল ফিতর ও ঈদ উল আযহায় দুস্থ ও গরিবদের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ, অসহায় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা নিশ্চিত সহ পৌরবাসীর বিপদ আপদে পাশে দাড়ানো ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখায় অনেক আগেই পৌরবাসীর মনে জায়গা করে নিয়েছেন শাহ মাসুদ।
এদিকে তাকে ঘিড়ে নির্বাচন করার কথা শুনে পৌরবাসীর মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা। পৌর এলাকার বিভিন্ন মোড়ে ও হাট বাজারে এমনকি চায়ের দোকানে পর্যন্ত আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন তিনি।
যার ফলে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের কথা শুনে ইতিমধ্যে ডিজিটাল পৌরসভার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে পৌরবাসী। সে নির্বাচনে জয়ী হলে তার সকল মেধা যোগ্যতা দিয়ে পৌরবাসীর সেবা করে যাবে বলেও পৌর নাগরিকরা বিশ্বাস করছেন।
রাজনৈতিক সুত্রে জানা যায়, ছাত্র জীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে পদার্পন করেন শাহ মাসুদ। ২০০৮ সালে ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শাহ আবদুল্লাহ আল মাসুদ জেলা, উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে গুরুত্ব পুর্ণ ভুমিকা রাখেন।
প্রতিনিয়ত চালিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য আন্দোলন।
এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি হয়রানি ও মিথ্যা মামলার শিকার হওয়ার পরও তৃণমূল বিএনপির দুঃসময়ে পাশে ছিলেন। পাশাপাশি জমি জমা বিক্রি করে কর্মীদের নিয়ে আদালতে মাসের পর মাস দিয়েছেন হাজিরা। (বর্তমান কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন) ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ৫৩ টি মামলার স্বীকার হয়েছেন। অসংখ্যবার করেছেন কারাবাস।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় তিনি তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গেও তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে।
এদিকে মেয়র প্রার্থী শাহ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পরিচালনা করতে চান, আমরাও সেভাবেই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে নিতে চাই।
জামালপুর পৌরসভাকে মডেল ও আধুনিক পৌরসভায় পরিণত করতে চাই।
তিনি আরো বলেন, পৌর ১২টি ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য তিনি কাজ করে যাবেন। উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে কোনো উল্লেখযোগ্য পৌরসভার সাথে পাল্লা দিয়ে জামালপুর পৌরসভায় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সবার দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন তিনি।
তিনি আরো জানান, তিনি সবসময় জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, দল তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি ইনশাআল্লাহ ভালো ফলাফল উপহার দিতে পারবেন।
সংবাদ প্রেরক বিটিসি নিউজ এর জামালপুর প্রতিনিধি মো. মাসুদুর রহমান। #















