BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- বৃহস্পতিবার, ২৮শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১১ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ২৮শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনে আঘাত হানল ইরানি ড্রোন

মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনে আঘাত হানল ইরানি ড্রোন

বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওমান সাগরে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহীরণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ ইরানি ড্রোনের নিখুঁত নিশানায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।

সংস্থাটির মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যেরণতরী টি যখন ইরানের সামুদ্রিক সীমান্ত থেকে ৩৪০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করছিল, ঠিক তখনই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর ড্রোনগুলো সেটির ওপর আক্রমণ চালায়।

এই বিধ্বংসী হামলার পরপরই আব্রাহাম লিঙ্কন তার সহযোগী ডেস্ট্রয়ারগুলোসহ দ্রুত ওই এলাকা ছেড়ে পলায়ন করে এবং বর্তমানে এটি সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থান করছে বলে তেহরান দাবি করেছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে কয়েক দিন আগে থেকেই রণতরীটিকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। এর আগে আইআরজিসি জানিয়েছিল, তারা আব্রাহাম লিঙ্কনকে লক্ষ্য করে চারটি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এই ধারাবাহিক ও শক্তিশালী আক্রমণ শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে এক নতুন পর্যায়ের যুদ্ধের সূচনা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। আইআরজিসি এক সতর্কবার্তায় বলেছে, ‘সন্ত্রাসী আগ্রাসনকারীদের’ জন্য এখন থেকে আকাশ, স্থল ও সমুদ্র হবে এক একটি সমাধিক্ষেত্র এবং কোনোভাবেই তাদের রেহাই দেওয়া হবে না।

ইরানি সামরিক সূত্রের দাবি অনুযায়ী, এই সফল অভিযানের ফলে মার্কিন বাহিনী বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। আইআরজিসি জানিয়েছে, ইরানি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৬৫০ জন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন, যার ফলেরণতরীগুলো পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।

ওমান সাগরের এই সামরিক বিজয়কে ইরান তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি অস্ত্র ও নিখুঁত রণকৌশলের সাফল্য হিসেবে দেখছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যেও এই পিছু হটার ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, কারণ আব্রাহাম লিঙ্কনের মতো বিশালরণতরী সাধারণত কোনো বাহিনীর বিরুদ্ধেই এভাবে সরাসরি আক্রমণের মুখে ফিরে যায় না।

বর্তমানে পুরো ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় ইরানের সামরিক উপস্থিতি বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। তেহরান মনে করে, মার্কিন বিমানবাহীরণতরীকে এলাকা ছাড়া করার মাধ্যমে তারা হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সমর্থ হয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি, তবে ইরানের এই দাবি মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এই সংঘাতের জেরে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক দাপট বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা ঘনীভূত হচ্ছে। #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ
প্রথমবারের মতো এআই পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মো. আবুল বাসেদ কাজল। ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অনুদান বিতরণ তুষির গানে মুগ্ধ শ্রোতারা! ছবিতেও কি নারীরা নিরাপদ নয়? প্রশ্ন তুললেন ভূমি রাজশাহী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদকসহ মাদক কারবারি আটক র‌্যাব-৫ রাজশাহী কর্তৃক মাদকসহ আটক-৫ মেঘনার বুকে ঝড়ের কবলে সি-ট্রাক, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ৫ শতাধিক যাত্রী বরিশালে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎহীন ৫ উপজেলা বগুড়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-২