পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম দুলালের স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছে পরিষদের ৮ জন ইউপি সদস্য।
গত মাসে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে এ অভিযোগ করেন তারা।
বিষয়টি আমলে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা সুলতানা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান ২০২১-২০২২ চক্রের ভিজিডি উপকার ভোগী ৩২২জন মহিলার সঞ্চয়ের দুই লাখ ৫৭ হাজার টাকা, উপকার ভোগীদের মাঝে ফেরত না দিয়ে আত্মসাত, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জেমকন লিমিটেড পঞ্চগড় হতে আদায় কৃত ট্যাক্সের এক লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাত করে চেয়ারম্যান।
এছাড়াও ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের হিসাব পরিষদে না দেওয়া, ইউপি রাস্তায় পাথর বালু সহ অন্যান্য দ্রবাদি পরিবহনের উপর ব্যবসা কর আদায়কারীকে পারিষদের মিটিং ছাড়াই গোপনে বড় অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া, মিটিং ছাড়া একক সিদ্ধান্তে পরিষদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করে নিজের ইচ্ছা মত ব্যয়। ভি, ডব্লিউ, বি এর চাল আনতে ভাড়া না লাগলেও পছন্দের ইউপি সদস্য দিয়ে প্রতিমাসে আট থেকে দশ হাজার টাকা ভূয়া ভাউচার করে আত্মসাত করার।
ইউপি সদস্য সহিদুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যানের দূর্নীতির শেষ নাই কিছু তথ্য দিয়ে অভিযোগ করেছি। এছাড়াও ঈদের আগে রাজস্ব আদায়ের কয়েক লাখ টাকা চেয়ারম্যানসহ বাকী ইউপি সদস্যরা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।
চেয়ারম্যানের বিষয়ে প্রশাসনের কাছে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানান তিনি।
অভিযুক্ত চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম দুলাল বলেন, মনোমালিন্য থেকেই এ অভিযোগ করেছে ইউপি সদস্যরা।
আলোচনা করে খুব শিগ্রই এটা সমাধান করা হবে। অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে তিনি বলেন,একশ ভাগ কোনটিকে বলা যাবেনা যোক্তিক না আনযোক্তিক।
তদন্তকারী কর্মকর্তা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লুৎফুল কবির মোঃ কামরুল হাসান বলেন, তদন্ত চলমান রয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
সংবাদ প্রেরক বিটিসি নিউজ এর পঞ্চগড় প্রতিনিধি শেখ সম্রাট হোসাইন। #















