BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- বুধবার, ১৪ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৫শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ১৪ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বালু ও মাটি উত্তোলনের মহৎসব, হুমকিকে হাটবাজারসহ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা

বালু ও মাটি উত্তোলনের মহৎসব, হুমকিকে হাটবাজারসহ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুরে যমুনা- ব্রহ্মপুত্র ও দশআনী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন চলছেই। বালু ও মাটিখেকোদের কবলে চরম হুমকিতে রয়েছে যমুনার বামতীর সংরক্ষণ বাঁধ, বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তা-ঘাট ব্রীজ-কালভার্ট, অসংখ্য সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, ঘরবাড়ি, হাটবাজার সহ শত শত একর ফসলি জমি।

প্রভাবশালী একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখের সামনে নদী থেকে বালু তুলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

জানা যায়, ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দী,পার্থশী ইউনিয়ন থেকে নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের কাজলা-কাঠমা পর্যন্ত চলছে বালু ও মাটি লুটপাটের মহৎসব।

এছাড়াও চর, পুটিমারী, গাইবান্ধা ইউনিয়নের দশানী নদী ও গোয়ালের চর,পলবান্ধা ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের অর্ধশত বালু-মাটিখেকো সিন্ডিকেট যমুনা-ব্রহ্মপুত্র-দশানী নদী ও নদীর তীরবর্তী খাল-বিল, নালা এবং নিচু জমি থেকে শ্যালো মেশিন দিয়ে স্থানীয়ভাবে তৈরি ড্রেজার-ভেকু দিয়ে বালু এবং মাটি খনন করে বিক্রি করে আসছে। এতে আসছে বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙনের চরম ঝুঁকিতে পড়তে পারে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অসংখ্য সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, ঘরবাড়ি, হাটবাজারসহ শত শত একর ফসলি জমি।

চর পুটিমারী ইউনিয়নের আনন্দ বাজার এলাকার বাসিন্দা হুরমুজ আলী বিটিসি নিউজকে বলেন- দশানী নদী যেভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলছে,এতে যে কোন সময় নদী ভাঙনে এই বাজারটা বিলীন হয়ে যাবে।

এছাড়াও বিভিন্ন জায়গাতে ফসলি জমির মাটি বিক্রি করছে। যা ফসল নস্ট হচ্ছে। তা দেখার কেউ নেই।

চিনাডুলী ইউনিয়নের বলিয়াদহ গ্রামের তুমর আলী বিটিসি নিউজকে বলেন, এমনিতেই নদী ভাঙ্গনের আতংকে দিন পার করতে হয়। তার মধ্যে যেমন এলোমেলোভাবে বালু ও মাটি লুট শুরু হয়েছে। এতে আসছে বর্ষায় সেতুসহ প্রতিষ্ঠান গুলো নদী ভাঙনে বিলীন হতে পারে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে অনিয়ন্ত্রিত বালু ও মাটি উত্তোলন চলতে থাকলে ইসলামপুর এলাকায় ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় অনিবার্য। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট হয়ে ভবিষ্যতে বড় ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে। আজ নদী কাটছে, কাল ঘরবাড়ি ভাঙবে তবুও প্রশাসনের টনক নড়ছে না।

স্থানীয় সচেতন মহল, অবিলম্বে জরুরি অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ বালু ও মাটি ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজোয়ান ইফতেকার বিটিসি নিউজকে বলেন, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছি। কোথাও অনিয়ম বা অবৈধ কার্যক্রমের তথ্য থাকলে ছবি তুলে আমাদের কাছে পাঠিয়ে দেন।

সংবাদ প্রেরক বিটিসি নিউজ এর ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি লিয়াকত হোসাইন লায়ন। #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ