আরএমপি প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পবা থানা ও চন্দ্রিমা থানার পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরএমপি সূত্র জানায়, গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের অভিযানে মোট ৪৪ পিস ইয়াবা ও ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মোসা: কুলসুম বেগম (২২) ও মো: আরিফ (৩৫)। কুলসুম রাজশাহী মহানগরীর পবা থানার নওহাটা এলাকার মো: সুমনের স্ত্রী ও আরিফ মহানগরীর মতিহার থানার বামনশিকর এলাকার মো: আশরাফের ছেলে।
গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় আরএমপি’র পবা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মতিনের তত্ত্বাবধানে এসআই মো: আনোয়ার হোসেন ও তার টিম পবা থানার কলেজ মোড়ে অবস্থান করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একই থানার নওহাটা এলাকায় কুলসুমের বসত বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থানকারী কুলসুমকে গ্রেপ্তার করা হলেও তার স্বামী সুমন কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে শালীনতা বজায় রেখে কুলসুমের দেহ তল্লাশি করে ৪৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়।
অপরদিকে, গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) রাত পৌনে ৯টার আরএমপি’র চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মনিরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এসআই আলাল হুসাইন ও তার টিম চন্দ্রিমা থানার কৃষি ব্যাংকের মোড়ে অবস্থান করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একই থানার খড়খড়ি বাজারে এনামুলের মুরগি দোকানের সামনে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মাদক বিক্রয়ের জন্য অবস্থানকারী আরিফকে গ্রেপ্তার হয়। এসময় আরিফের দেহ তল্লাশি করে ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব মাদকদ্রব্য নিজের হেফাজতে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
সংবাদ প্রেরক মো: গাজিউর রহমান, পিপিএম, অতিরিক্ত উপ–পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া), (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। #















