আরএমপি প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগরীতে এক রিকশাচালকের সততা এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) তাৎক্ষণিক উদ্যোগে হারানো মালামালসহ একটি হ্যান্ডব্যাগ ও মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার এক প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।
মো: আবুল হোসেন (পিতা: আঃ মান্নান), গ্রাম: ফরাজপুর, ডাকঘর: প্রেমতলী, থানা: গোদাগাড়ী, জেলা: রাজশাহী, পেশায় একজন রিকশাচালক।
আজ ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকালে তিনি রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন উপশহর এলাকা থেকে এক নারী যাত্রীকে রিকশায় তুলে বোয়ালিয়া থানার জিরো পয়েন্ট স্যান্ডেল পট্টি এলাকায় পৌঁছে দেন। নামার সময় যাত্রীটি অসাবধানতাবশত তার ব্যবহৃত একটি ছোট হ্যান্ডব্যাগ রিকশায় ফেলে রেখে চলে যান।
পরবর্তীতে রিকশাচালক আবুল হোসেন ব্যাগটি খুলে দেখতে পান, এতে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, বাসার চাবি ও কিছু নগদ অর্থ রয়েছে। ব্যাগটির প্রকৃত মালিককে খুঁজে না পেয়ে এবং বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি স্থানীয় একজন ব্যক্তির মাধ্যমে ডিসি সিটিটিসি, আরএমপির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশ কমিশনার ড. মোঃ জিল্লুর রহমানের নির্দেশক্রমে তাৎক্ষণিকভাবে রিকশাচালক আবুল হোসেনকে আরএমপির সদর দপ্তরে আনা হয়।
পরবর্তীতে আরএমপির তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) ও আরএমপির মুখপাত্র মো: গাজিউর রহমান, পিপিএম প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানের মাধ্যমে ব্যাগটির প্রকৃত মালিককে আরএমপির সদর দপ্তরে উপস্থিত হতে অনুরোধ জানান। যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে হারানো হ্যান্ডব্যাগসহ মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হারানো মালামাল ফিরে পেয়ে সংশ্লিষ্ট মালিক আরএমপি কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রিকশাচালক মো: আবুল হোসেনের সততার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
আরএমপি কর্তৃপক্ষ রিকশাচালক মো: আবুল হোসেনের সততা ও দায়িত্বশীলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বলেন, সচেতন নাগরিকদের এমন মানবিক ও নৈতিক আচরণ সমাজে নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
সংবাদ প্রেরক মো: গাজিউর রহমান, পিপিএম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া), (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। #















