BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- শুক্রবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৫ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ৩রা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আদমদীঘি ও সান্তাহার শীতকালিন পিঠা বিক্রির ধুম

আদমদীঘি ও সান্তাহার শীতকালিন পিঠা বিক্রির ধুম

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: শীত মৌসুম এলেই বগুড়ার আদমদীঘি, মুরইল বাজার নসরতপুর ও সান্তাহারসহ বিভিন্ন বাজার এলাকায় শীতকালিন পিঠা বিক্রির ধুম পড়ে যায়। বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে বিভিন্ন রকমের পিঠা বিক্রি।

এসময় মৌসুমী পিঠার দোকান গুলোতে ভোজন বিলাসী বাঙালি নারী-পুরুষ শিশুসহ সব বয়সের মানুষের ভীড় জমে উঠে। এছাড়াও পিঠার দোকানের সাথে সাথে সিদ্ধডিম, পুচকা, চটপটি, বুটমুড়ির দোকানেও একই রকম ভীড় লক্ষ্য করা যায়। উপজেলার বিভিন্ন ছোট ছোট বাজারের দোকান গুলোতে শীত মৌসুম ছাড়াও প্রায় সারা বছর পিঠাপুলি বেচাকেনার এমন দৃশ্য দেখা যায়।

এই প্রচন্ড শীত উপেক্ষা এক শ্রেনির পুরুষ নারী আসছেন শীতের পিঠা ও ডিম খাবার জন্য দোকান গুলোতে।

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদর বাসস্ট্যান্ড, মুরইল বাজার. নসরতপুর রেলগেট চত্বর, পুর্ব ঢাকারোড, কুন্দগ্রাম, চাঁপাপুর কড়ইতলা ও সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন গেট এলাকায় শীত মৌসুমে গড়ে উঠেছে শীতকালীন সব ধরনের পিঠা-পুলি, সিদ্ধ ও ভাজা ডিম, পুচকা, চটপটি বারোভাজা বুটমুরি, ডালবড়া, পাকান পিঠা, পাটি সাপটা পিঠাসহ নানা ধরনের মুখরোচক সু-স্বাদের খাবারের দোকান।

সান্তাহারের তপুর পিঠার দোকানে ডালবড়া, তেলপিঠা, পুড়ি, ঝালের পিঠা,পাটিশাপটা, কুশলি পিঠা, ভাপাপিঠাসহ প্রায় ১৬ রকমের পিঠা পাওয়া যায়। জিল্লুরের ডিমভাজির দোকানে ৬ প্রকারের ডিমভাজি বিক্রি হয়।

এছাড়াও খায়রুলের পুচকা মোংলা ও লোকমানের চটপটি, মকিমের সুস্বাধু বুট মুড়িমাখার দোকান, আদমদীঘি বাসস্ট্যান্ডের শাহ আলমের দোকানের ভাপা ও চালের মলকা পিঠা, মহসিনের সদরে বৌ সোহাগী পিঠা ঘরে ডালবড়া, ঝাঁলের কুশলি ও পাকান পিঠাসহ হরেক রকমের পিঠা, মুরইল বাসস্ট্যান্ডসহ উপজেলা মিলে প্রায় শতাধিক দোকানে মুখরোচক পিঠা পাওয়া যায়। আর এসব সুস্বাদু পিঠা ও মুখরোচক খাবার দোকানে বিভিন্ন গ্রাম থেকে নারী-পুরুষসহ সব বয়সের মানুষের ভীড় জমে। বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত একই রকম ভাবে চলে বেচাকেনা।

পিঠা খেতে গ্রাম থেকে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধা তহির উদ্দিন, ফজলুল হক ও ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান, শিক্ষার্থি শেফালি বেগম ও সাইদা বেগম বলেন, শীতে পিঠা খাওয়ার রীতি গ্রাম বাংলার চিরায়িত সংস্কৃতির অংশ। শীত এলেই গ্রাম-গঞ্জে ঘরে ঘরে আত্মীয় স্বজন নিয়ে বেশ আনন্দ উৎসবের মধ্যে পিঠা খাওয়া হয়।

তবে বাজারে পিঠার দোকানে বসে বন্ধুদের নিয়ে আড্ডার পাশাপাশি মুখরোচক পিঠা খাওয়ার মজাই আলাদা। পিঠা বিক্রেতা তপু প্রতিদিন ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা পিঠা বিক্রি করে আয় করেন। মহসিন আলীর প্রতিদিন ৮ থেকে ১০হাজার টাকার পিঠা বিক্রি হয় বলে জানান তারা। #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ
হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার পরিবহনে ‘মানবিক করিডোর’ চালুর আহ্বান ইতালির ইরানের পারমাণবিক ইস্যুতে যুদ্ধ নয়, কূটনীতির আহ্বান ম্যাখোঁর অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে বন্ডিকে অপসারণ করলেন ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তি আলোচনার আহ্বান চীনের জ্বালানি সাশ্রয়ে অফিস সময়ে পরিবর্তন, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় প্রেস সেক্রেটারিকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেললেন ট্রাম্প ম্যাক্রোঁর ব্যক্তিত্ব নিয়ে ট্রাম্পের বিদ্রূপ, ফ্রান্সে তীব্র প্রতিক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের ৭০ লাখ ইরানি যুদ্ধে লড়তে প্রস্তুত : ইরানের স্পিকার ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা মূল্যের হীরা ও বিদেশী অর্থসহ এক ভারতীয় নাগরিক আটক