বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আর্কটিক অঞ্চলে ন্যাটোর স্থায়ী উপস্থিতির দাবি তুলেছে ডেনমার্ক। জার্মানির মিউনিখে ৬২তম নিরাপত্তা সম্মেলনে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বীপটি এখন কূটনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাই মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে মিলে নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
কয়েক মাস ধরেই গ্রিনল্যান্ড ঘিরে টানাপোড়েন চলছে। অঞ্চলটিকে নিয়ন্ত্রণে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
এ অবস্থায় মিউনিখে ৬২তম নিরাপত্তা সম্মেলনে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স ফ্রেডেরিক নিয়েলসন বলেন, অনেক বছর ধরে গ্রিনল্যান্ড শান্ত ছিল। উত্তেজনা কম ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। জলবায়ু পরিবর্তনে দ্রুত বরফ গলায় নতুন জাহাজ চলাচলের পথ খুলবে। বাণিজ্য ও সামরিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হবে এই পথ।
তাই এ আর্কটিক অঞ্চলটিতে নজরদারি, টহল ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নিলসেন জানান, ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে দায়িত্ব ভাগ করে নিতে প্রস্তুত গ্রিনল্যান্ড। ট্রান্স-আটলান্টিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক আইন তাদের মূল মূল্যবোধের অংশ।
আর্কটিকে সামরিক মিশন ও ‘আর্কটিক সেন্ট্রি’ কার্যক্রমকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। নিরাপত্তা উদ্বেগে ‘ব্যাকইয়ার্ড’ রক্ষায় আরও সক্রিয় হওয়ার পক্ষে তিনি।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেতে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, আর্কটিক নিরাপত্তায় ন্যাটো এখন কাঠামোগতভাবে কাজ শুরু করায় কোপেনহেগেন সন্তুষ্ট। বহু বছর ধরে স্থায়ী উপস্থিতির দাবি জানিয়ে আসছিল ডেনমার্ক। গ্রিনল্যান্ড ও আশপাশের এলাকায় ন্যাটোর স্থায়ী উপস্থিতি চান তারা।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইউরোপের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের ইচ্ছার কথা বলেছেন। এতে ন্যাটো জোটে অস্বস্তি তৈরি হয়।
এরমধ্যেই, মিউনিখে সম্মেলনের ফাঁকে নিলসেন ও ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। #















