দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি: দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের সামসুল আলমের স্ত্রী মহিমা খাতুনের উপর হামলা করে রক্তাক্ত জখম করার ঘটনা ঘটেছে।
আহত মহিমা খাতুনকে দ্রুত উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে তার চোখের উপরে ১৬টি সেলাই পড়ে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মহিমা খাতুনের স্বামী সামসুল আলম দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান।
জানা গেছে, গতকাল শনিবার দুপুর ২ টার দিকে কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের মৃত আজিম হোসেনের কন্যা মহিমা খাতুন দিগর তাদের শরিকানা ভিটা জমির কিছু অংশ তোয়াজ উদ্দীনের ছেলে আহসান আলী কৌশল করে দখল করে ঘরবাড়ি করেছে।
এ বিষয়ে মহিমা খাতুন সহ তার বোনরা সার্ভেয়ার নিয়ে গতকাল শনিবার সকাল থেকে মাপজোপ শুরু করে।
এসময় উভয়পক্ষের সার্ভেয়ারের সম্মতিতে দুই পাশের জমি সহ মাঝখানের জমি মাপার কথা শুরু হলে বাধা দেই তোয়াজ উদ্দীনের ছেলে আহসান আলী।
এসময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আহসান আলী ,তার সহোদর শাহজামাল,আলমাস,আব্বাস মিলে হামলা করে মহিমা খাতুন সহ তার বোনদের উপর।
এসময় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে মহিমার চোখের উপরে গুরুত্বর জখম হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে চোখের উপর ১৬ টি সেলাই পড়ে।
এ ঘটনায় মহিমা খাতুনের স্বামী সামসুল আলম বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে জানতে আহসান আলীর সাথে কথা বলতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দীনের সাথে কথা বললে তিনি বিটিসি নিউজকে জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
সংবাদ প্রেরক বিটিসি নিউজ এর দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি মোস্তাফিজ কচি। #















