বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণ আগ্রাসনের পর আবুধাবিতে প্রথমবারের মতো ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসলো ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে তাদের মধ্যকার মতপার্থক্যের মূল জায়গাগুলোতে তেমন কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় প্রত্যাশা সীমিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন শান্তি চুক্তি নিয়ে চলতি সপ্তাহে বলেছেন, ‘একমত না হতে পারলে দুই পক্ষ হবে স্টুপিড।’
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলছেন, ‘দাভোসেট্রাম্পের সঙ্গে তার আলোচনা ছিল সত্যিকার অর্থেই ইতিবাচক।’
তিনি বৈঠকটিকে একটি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে একে ইতিবাচক হিসেবে আখ্যায়িত করেননি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের আশা করতে হবে যে এটি আমাদের শান্তির কাছে নিয়ে যাবে।’
এদিকে জেলেনস্কি কিছুদিন ধরেই বলে আসছেন, শান্তির জন্য একটি চুক্তির দিকে তারা ৯০ ভাগ এগিয়ে গেছেন। তবে শেষ ১০ শতাংশই কঠিন কারণ রাশিয়া পুরো প্রস্তাবটিই প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের পূর্বাঞ্চলকে ঘিরে। এটা ভূখণ্ডের বিষয়।
অপরদিকে রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের দনবাস অঞ্চলের একটি বড় অংশ তাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য বলে আসছে। তবে ইউক্রেন তা প্রত্যাখ্যান করেছে। রাজনীতিকরা প্রায়ই ‘রেড লাইন’ এর কথা বলে থাকেন। কিন্তু দনবাসের সেই রেড লাইন টানা হয়েছে ইউক্রেনের সেনাদের রক্তের বিনিময়ে।
ক্রেমলিন বলছে, ‘তারা যা চাইছে সেটি আলোচনার টেবিলে না এলে যুদ্ধক্ষেত্রেই নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করবে। যদিও বিপুল সংখ্যক সেনা হারিয়েও তারা সেখানে সফলতা অর্জন করতে পারেনি এখনো। তাই তারা আবারও দেশজুড়ে বেসামরিক অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে, যা আগের চেয়ে বেশি পরিকল্পিত ও ধ্বংসাত্মক। #

















