আরএমপি প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বোয়ালিয়া, চন্দ্রিমা, মতিহার এবং কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ ৪ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।
আরএমপি সূত্র জানায়, গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের অভিযানে মোট ২ গ্রাম হেরোইন, ৫ লিটার চোলাই মদ, ৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো: রুহুল আমিন ওরফে টগর (৪৫); মো: শামসুল হক (৫২); মো: ওমর ফারুক (৪৬) এবং মো: মনিরুল ইসলাম (৩১)। টগর বোয়ালিয়া থানার পাঠানপাড়া এলাকার মো: আজাদ আলীর ছেলে; শামসুল চন্দ্রিমা থানার হাজরাপুকুর ডাবতলা এলাকার মৃত সামাদের ছেলে; ফারুক মতিহার থানার মির্জাপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত আসাদুজ্জামানের ছেলে এবং মনিরুল কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। সকলেই রাজশাহী মহানগরীর বাসিন্দা।
আরএমপি জানায়, গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে আরএমপির রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রবিউল ইসলামের সার্বিক তত্বাবধানে এসআই মো: মনিরুজ্জামান ও তার টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বোয়ালিয়া থানার পাঠানপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে টগরকে গ্রেপ্তার করেন। পরে টগরের দেহ তল্লাশি করে ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে একই দিন সন্ধ্যা আনুমানিক সোয়া ৭টার দিকে আরএমপির চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মনিরুল ইসলামের সার্বিক তত্বাবধানে এসআই মো: রওশন আলম ও তার টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চন্দ্রিমা থানার কৃষ্টগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শামসুলকে গ্রেপ্তার করেন। পরে শামসুলের দেহ ও হাতে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ৫ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে একই দিন বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে আরএমপির মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আবুল কালাম আজাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই মো: সইবুর রহমান ও তার টিম মতিহার থানার মির্জাপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ফারুককে গ্রেপ্তার করেন। পরে ফারুকের দেহ তল্লাশি করে ৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও একই দিন বিকেল আনুমানিক পৌনে ৫টার দিকে আরএমপির কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ফরহাদ আলীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই মো: ফারুক আহম্মেদ ও তার টিম কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মনিরুলকে গ্রেপ্তার করেন। পরে মনিরুলের দেহ তল্লাশি করে ৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব মাদকদ্রব্য নিজ নিজ হেফাজতে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
সংবাদ প্রেরক মো: গাজিউর রহমান, পিপিএম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া), (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। #















