BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- বুধবার, ২১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২রা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ২১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অভিযান, ইউরোপীয় মিত্রদের ‘গালে চড়’ : দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ

ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অভিযান, ইউরোপীয় মিত্রদের ‘গালে চড়’ : দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ

বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী মনোভাব ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্রতায় এক নজিরবিহীন ফাটল ধরিয়েছে।

২০২৬ সালে এসে ট্রাম্প যখন ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকে সরাসরি দখল বা কিনে নেওয়ার জন্য ক্রমাগত চাপ দিচ্ছেন, তখন ইউরোপীয় নেতারা একে ন্যাটোর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন। এতদিন ট্রাম্পের বিভিন্ন বিতর্কিত দাবি এবং ন্যাটোর বাজেট বাড়ানোর চাপ মুখ বুজে সহ্য করলেও, গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে এবার ইউরোপকে একটি কঠিন অবস্থান বা ‘রেড লাইন’ টানতে হচ্ছে।

ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান মোৎজফেল্ড সম্প্রতি ওয়াশিংটনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে এক রুদ্ধশ্বাস বৈঠক করেছেন।

বৈঠক শেষে রাসমুসেন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে এটি ২০২৬ সাল এবং আধুনিক বিশ্বে মানুষের অধিকার নিয়ে এভাবে কেনাবেচা হতে পারে না। অন্যদিকে জেডি ভ্যান্স এই আলোচনাকে আরও উসকে দিচ্ছেন বলে মনে করছেন ইউরোপীয় কূটনীতিকরা, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষার পেছনে যেমন কৌশলগত ও খনিজ সম্পদের গুরুত্ব রয়েছে, তেমনি কাজ করছে তার ব্যক্তিগত অহংবোধ বা ‘ইগো’।

নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন, গ্রিনল্যান্ড জয় করাকে তিনি তার সাফল্যের জন্য মনস্তাত্ত্বিকভাবে প্রয়োজনীয় মনে করেন। এমনকি যে দেশগুলো তার এই পরিকল্পনায় বাধা দেবে, তাদের ওপর শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এই পরিস্থিতিতে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের ওপর যে মানসিক ও কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তাকে অনেকেই ‘সেরা বন্ধুর গালে হুট করে চড় মারা’র মতো একটি অদ্ভুত আচরণ হিসেবে দেখছেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং ন্যাটো এখন এই সংকট মোকাবিলায় কোমর বেঁধে নামছে। ট্রাম্পের প্রধান যুক্তি হলো গ্রিনল্যান্ড রাশিয়া বা চীনের হামলা থেকে সুরক্ষিত নয়।

এই অজুহাত কেড়ে নিতে ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেনসহ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে গ্রিনল্যান্ডে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে শুরু করেছে। এছাড়া ইইউ গ্রিনল্যান্ডের জন্য তাদের আর্থিক সহায়তা দ্বিগুণ করার এবং গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক-এ নতুন অফিস খোলার প্রস্তাব দিয়েছে।

ইউরোপীয় নেতারা এখন এটি প্রমাণ করতে মরিয়া যে তারা নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষা করতে সক্ষম এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নিরাপত্তার জন্য নির্ভরশীল হলেও নিজেদের সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দেবে না। #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ
আ.লীগকে নির্বাচনে আনার প্রশ্নে এবার মুখ খুললেন সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই সনদে ইতালির পূর্ণ সমর্থন আরও ৮ জেলায় ডিজিটাল জামিননামা উদ্বোধন এবার ভোট গণনায় দেরি হতে পারে : প্রেস সচিব এবারের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে : প্রধান উপদেষ্টা বেগম জিয়াকে দেশে সর্বোচ্চ সম্মানীত একজন নারী : মিলন ১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০ আসনেই নির্বাচন, আজ রাত থেকে শুরু ব্যালট ছাপা : প্রেস সচিব নির্বাচনকে সামনে রেখে পরীক্ষা শুরু হলো, ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ফাইনাল : প্রধান উপদেষ্টা বিএনপি নেতাকর্মীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরো সক্রিয় হতে হবে – দুলু চাঁপাইনবাবগঞ্জে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীরমুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফন