BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- বুধবার, ১৪ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৫শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ১৪ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রাজশাহীতে আরএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার; ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার

রাজশাহীতে আরএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার; ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার

আরএমপি প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও চন্দ্রিমা থানার পৃথক অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ৩ হাজার ৮শ ৭০ টাকাসহ ৫ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরএমপি সূত্র জানায়, গত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের অভিযানে মোট ২২৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মোসা: নারগিস বানু (৪৪); মো: সজল (৩০); মো: সাকিব (২২); মো: শাহীন (২২) এবং মো: রাব্বি (২২)। নারগিস রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানার চর শ্যামপুর গ্রামের মো: ইয়াছিন আলীর স্ত্রী। সজল ও সাকিব রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডি কড়াইতলা গ্রামের মো: রজব আলীর ছেলে। শাহীন রাজশাহী তানোর থানার চিনা পাড়া গ্রামের মো: ফিরোজের ছেলে এবং রাব্বী রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার হাজরাপুকুর (নিউ কলোনী) গ্রামের মো: বকুলের ছেলে।

গতকাল সোমবার (১১ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পুলিশ পরিদর্শক মো: গোলাম কবির ও তার টিম মতিহার থানার তালাইমারী মোড়ে অবস্থান করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একই থানার চর শ্যামপুর এলাকায় নারগিসের বসত বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মাদক বিক্রি করাকালে নারগিসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শালীনতা বজায় রেখে নারগিসের দেহ তল্লাশি করে তার হাতে থাকা ব্যাগ থেকে ২১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩ হাজার ৮শ ৭০ টাকা জব্দ করা হয়।

অপরদিকে, গতকাল সোমবার (১১ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) রাত পৌনে ১১টার আরএমপি’র চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মনিরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এসআই মো: মাসুদ রানা ও তার টিম চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডি ফ্লাইওভার ব্রিজের নিচে অবস্থান করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একই থানার মেহেরচন্ডি বৌ-বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মাদক বিক্রয়ের জন্য অবস্থানকারী সজল, সাকিব, শাহীন ও রাব্বিকে গ্রেপ্তার করেন। এসময় তাদের দেহ তল্লাশি করে সজলের কাছ থেকে ৭ পিস, সাকিবের কাছ থেকে ৫ পিস, শাহীনের কাছ থেকে ৪ পিস ও রাব্বির কাছ থেকে ৩ পিসসহ মোট ১৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামি সজলের বিরুদ্ধে আরএমপির চন্দ্রিমা থানায় পেনাল কোডে ২টি মামলা এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামি শাহীনের বিরুদ্ধে পাকশী রেলওয়ে জেলার রাজশাহী রেলওয়ে থানায় পেনাল কোডে ১টি মামলা চলমান রয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব মাদকদ্রব্য নিজের হেফাজতে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সংবাদ প্রেরক মো: গাজিউর রহমান, পিপিএম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া), (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ