বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান যুদ্ধ বন্ধে জোর কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আগামীকাল রোববার শুরু হচ্ছে উচ্চপর্যায়ের এক কূটনৈতিক সম্মেলন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের আমন্ত্রণে দুই দিনের সফরে ইসলামাবাদ যাচ্ছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২৯ ও ৩০ মার্চ সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, তুরস্কের হাকান ফিদান ও মিসরের বদর আবদেলাত্তি ইসলামাবাদে অবস্থান করবেন। চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মূলত আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমন এবং নিজেদের মধ্যে বহুমুখী সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে নিবিড় আলোচনায় অংশ নেবেন।
আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি সফররত অতিথিরা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা মোকাবিলায় একটি সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করাই এই সাক্ষাতের উদ্দেশ্য বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর বিশ্বজুড়ে জ্বালানি–সংকট দেখা দিয়েছে এবং তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান নিজেকে যুদ্ধ বন্ধের এই আলোচনার কেন্দ্রে তুলে ধরতে চাইছে।
এদিকে ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোনে ঘণ্টাব্যাপী কথা বলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এ সময় যুদ্ধ বন্ধে ও আলোচনার পথ সুগম করতে ‘আস্থা তৈরি’র ওপর জোর দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) জানিয়েছে, ইরানের ওপর ইসরায়েলের চলমান হামলার পরিপ্রেক্ষিতে শাহবাজ শরিফের ‘আন্তরিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার’ প্রশংসা করেছেন পেজেশকিয়ান।
সম্প্রতি শাহবাজ শরিফের একটি এক্স পোস্টের স্ক্রিনশট যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে শেয়ার করেছিলেন। ওই পোস্টে শাহবাজ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার আয়োজন করতে পাকিস্তান প্রস্তুত রয়েছে। #















