BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- বুধবার, ১৪ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৫শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ১৪ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ফুকুশিমা ট্রাজেডি: ১৫ বছর পর বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করছে জাপান

ফুকুশিমা ট্রাজেডি: ১৫ বছর পর বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করছে জাপান

বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফুকোশিমা ট্র্যাজেডির জেরে ১৫ বছর বন্ধ রাখার পর ফের বিশ্বের বৃহত্তম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান। দেশটির রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ পরিষেবা সংস্থা টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির (টেপকো) বরাত দিয়ে রয়টার্স প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এ বিষয়ে নিগাতা অঞ্চলে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) ভোট হতে পারে। ভোটের মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কাশিওয়াজাকি-কারিওয়ারি পুনরায় চালুর অনুমোদন দেয়া হতে পারে।

২০১১ সালে বড় মাত্রার এক ভূমিকম্প ও তার ফলে সৃষ্ট সুনামির জেরে জপানের ফুকোশিমা দাইচি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট ৫৪টি চুল্লি বিধ্বস্ত হয়েছিল। এসব চুল্লির মধ্যে কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুল্লিগুলোও ছিল।

জাপানের কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া বিশ্বের বৃহত্তম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। রাজধানী টোকিও থেকে ২২০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বের বন্দরশহর নিগাতায় অবস্থিত এই পরমাণু বিদ্যুৎকেন্ত্র। এর আয়তন ৪২ লাখ বর্গমিটার বা ৪২০ হেক্টর। এই পরমাণু কেন্দ্রটির পরিচালনা ও দেখভালের দায়িত্বে আছে টেপকো।

মোট ৭টি পরমাণু চুল্লি আছে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে।

রয়টার্স বলছে, তারপর থেকে, জাপান আমদানিকৃত জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করে, ৩৩টির মধ্যে ১৪টি চুল্লি পুনরায় চালু করে।

কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া হবে টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোং (টেপকোর) পরিচালিত প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্র, যা ধ্বংসপ্রাপ্ত ফুকুশিমা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা করত।

তবে, এমন পদক্ষেপের বিরোধীতা করেছেন বিক্ষোভকারীরা। সোমবার প্রায় ৩০০ জন বিক্ষোভকারী, যাদের বেশিরভাগই বয়স্ক, তারা পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার বন্ধ করুন, আমরা কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া পুনরায় চালু করার বিরোধিতা করি এবং ফুকুশিমাকে সমর্থন করুন লেখা ব্যানার ধরে নিগাতা প্রিফেকচারের সামনে জড়ো হয়েছিলেন।

একজন বিক্ষোভকারী মাইক্রোফোনে জিজ্ঞাসা করলেন, টেপকো কি কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া চালানোর যোগ্য? জনতা চিৎকার করে উঠল, না!

এদিকে, সিদ্ধান্তটি অনুমোদিত হলে, টেপকো ২০ জানুয়ারী প্ল্যান্টের সাতটি চুল্লির মধ্যে প্রথমটি পুনরায় সক্রিয় করার কথা বিবেচনা করছে, পাবলিক ব্রডকাস্টার এনএইচকে জানিয়েছে।

টেপকোর মুখপাত্র মাসাকাতসু তাকাতা বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে এই ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় এবং নিগাতার বাসিন্দারা যেন কখনও একই রকম কিছুর সম্মুখীন না হন। তবে তাকাতা কবে নাগাদ এই কর্মসূচি চালু হবে তা সম্পর্কে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ