নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীতে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ঠেকাতে গিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ সদস্য, জনপ্রতিনিধিসহ অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব খড়িবাড়ি তিস্তা নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইমরানুজ্জামান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন, সাবেক ইউনিয়ন জামায়াত আমির আফসার আলী, স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এবং পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন। আহতদের ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে গুরুতর আহত সাতজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র তিস্তা নদীতে বোমা মেশিন ব্যবহার করে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে আসছে। এতে নদীর বাঁধ ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। প্রশাসন একাধিকবার অভিযান চালালেও কার্যকরভাবে এটি বন্ধ করা যায়নি।
এ অবস্থায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান পাথর উত্তোলন বন্ধের উদ্যোগ নিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। তিনি গ্রাম পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে উত্তোলনকারীরা হামলা চালায়। এতে চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলা হয়। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং একটি পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, তিস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে বিপুল সংখ্যক বোমা মেশিন বসিয়ে পাথর উত্তোলন চলছে, যা নদীর জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডিমলা থানার এসআই পরিতোষ রায় বিটিসি নিউজকে বলেন, হামলায় ইউপি চেয়ারম্যান, সাত পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
ডিমলার ইউএনও মোহাম্মদ ইমরানুজ্জামান বিটিসি নিউজকে বলেন, হামলাকারীদের আটক করতে অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সংবাদ প্রেরক বিটিসি নিউজ এর নীলফামারী প্রতিনিধি এরশাদ আলম। #















