বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভ এখন চরম আকার ধারণ করেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় শুক্রবার(৯ জানুয়ারি) রাজধানী তেহরানগামী নিজেদের পাঁচটি নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল করেছে টার্কিশ এয়ারলাইনস।
ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর অ্যাপের তথ্য অনুযায়ী, কেবল তুরস্কই নয় বরং ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালিত আরও পাঁচটি ফ্লাইটও স্থগিত করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাতটি ফ্লাইট এখনও শিডিউলে থাকলেও সেগুলো নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। খবর আল আরাবিয়ার।
নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ জানিয়েছে, বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এ পর্যন্ত অন্তত ৪৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে আটজনই শিশু।

পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে, বৃহস্পতিবার রাতে শিরাজ ও মাশহাদগামী দুটি তুর্কি বিমান মাঝপথেই ইরানের আকাশসীমা থেকে মুখ ঘুরিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে।
বছরের পর বছর ধরে চলা নিষেধাজ্ঞা এবং গত জুনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ধকল সামলে উঠতে থাকা ইরানি অর্থনীতির ওপর এই গণবিক্ষোভ এখন এক বিশাল ঝুঁকি তৈরি করেছে।
আঙ্কারা ও তেহরানের মধ্যে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত এবং তিনটি সক্রিয় স্থলবন্দর থাকলেও বর্তমান অস্থিরতা নিয়ে তুর্কি কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
তবে ফ্লাইট বাতিল ও আকাশসীমা ব্যবহার নিয়ে এই সতর্কতা প্রমাণ করে যে, ইরানের ভেতরের পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে তুরস্কের এই নীরবতা ও সতর্ক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। #















