BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- মঙ্গলবার, ১২ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ১২ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইসরায়েল

সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইসরায়েল

বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সরকারের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হাজার হাজার মানুষ তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ারসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাস্তায় নেমে আসেন।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি ছিল গাজায় হামাসের হাতে নিহত শেষ জিম্মি রান গভিলির মরদেহ ফিরিয়ে আনা এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার ঘটনায় একটি স্বাধীন রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা।

টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা বর্তমান সরকারের বিচার বিভাগীয় সংস্কার পরিকল্পনারও তীব্র বিরোধিতা করছেন।

নিহত জিম্মি রান গভিলির নিজ শহর মেইতারে একটি বিশেষ সমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে রানের বাবা-মা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করেন। তারা অভিযোগ করেন, ট্রাম্প প্রশাসন জিম্মি মুক্তির প্রথম ধাপ পূর্ণাঙ্গভাবে সফল হওয়ার আগেই গাজা পুনর্গঠনের জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন ও দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু করতে তাড়াহুড়ো করছে।

রান গভিলির বাবা ইতজিক এবং মা ত্যালিক এক বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলেন, হামাস যেখানে তাদের সন্তানকে ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করছে, সেখানে কিসের ভিত্তিতে শান্তি ও পুনর্গঠনের কথা ভাবা হচ্ছে। তারা মনে করেন, হামাসকে চুক্তি পালনে বাধ্য না করে গাজা পুনর্গঠন করা মানে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলা।

তেল আবিবের প্রধান সমাবেশে প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও আইডিএফ প্রধান মোশে ইয়ালন বর্তমান সরকারকে ‘দুর্নীতিবাজ ও মেসিয়ানিক’ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি নেতানিয়াহু সরকারকে ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ইসরায়েল কোনো বাহ্যিক অস্তিত্ব সংকটে নেই, বরং অভ্যন্তরীণ সংকটে জর্জরিত।

ইয়ালন অভিযোগ করেন, সরকারের চরমপন্থী মন্ত্রীরা ইরানি শাসনের মতো প্রতিবাদকারীদের দমন করার মানসিকতা পোষণ করছেন। বিক্ষোভকারীরা ব্যানার ও প্লা্যকার্ডের মাধ্যমে ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতার জন্য রাজনৈতিকভাবে নিয়োগকৃত তদন্ত কমিটির পরিবর্তে নিরপেক্ষ বিচারিক তদন্তের দাবি জানান।

মেইতারের সমাবেশে শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন, যাদের মধ্যে রান গভিলির স্কুল ও সেনাবাহিনীর বন্ধুরা ছাড়াও ফিরে আসা কয়েকজন জিম্মি ও তাদের পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। জিম্মি দশা থেকে মুক্ত হওয়া রুমি গোনেনের মা মেইরাভ লেশেম গোনেন আবেগঘন কণ্ঠে জানান, ৭ অক্টোবরের হামলার সময় রান এবং অন্য রক্ষীরা তার মেয়েকে বাঁচাতে জীবন বাজি রেখে লড়েছিলেন।

বিক্ষোভকারীরা ঐক্যবদ্ধভাবে এই বার্তা দিয়েছেন, যত দিন না শেষ জিম্মি ফিরে আসছেন এবং সরকারের ব্যর্থতার স্বচ্ছ বিচার হচ্ছে, তত দিন রাজপথ ছাড়বেন না তারা। #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ
চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের নৌকা ও স্পিডবোট থেকে কোনো যাত্রী লঞ্চে উঠতে পারবে না : নৌমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার ঈদে গার্মেন্টসগুলো পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়া হবে : সড়কমন্ত্রী দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে এগোচ্ছে সরকার : সেতুমন্ত্রী অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচ্য নয় : প্রধানমন্ত্রী পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব গুরুত্ব সহকারে পালনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে বিশেষ কল্যাণ সভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী “বিষমুক্ত আম উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজারজাতকরণ” বিষয়ক সভা পরিপক্ক হলেই আম পাড়বেন চাষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাতিল ম্যাংগো ক্যালেন্ডার