BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

যুদ্ধবিরতির পর থেকে গাজায় শতাধিক শিশু নিহত : ইউনিসেফ

যুদ্ধবিরতির পর থেকে গাজায় শতাধিক শিশু নিহত : ইউনিসেফ

বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তিন মাস আগে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের বিমান ও স্থল বাহিনীর হামলায় অন্তত ১০০ শিশু নিহত হয়েছে। জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, অক্টোবরের শুরু থেকে ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত ফিলিস্তিনি এলাকায় অন্তত ৬০ ছেলে ও ৪০ মেয়ে শিশু নিহত হয়েছে।

ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এল্ডার মঙ্গলবার জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘শান্তি চুক্তির পর গাজায় ১০০-এরও বেশি শিশু নিহত হয়েছে। অর্থাৎ প্রায় প্রতিদিন এখানে একটি করে ছেলে বা মেয়ে নিহত হচ্ছে।

’তিনি গাজা শহর থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘এই শিশুদের হত্যা করা হয়েছে বিমান হামলা, ড্রোন হামলা, আত্মঘাতী ড্রোন হামলা চালিয়ে। আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, শিশু নিহতের সংখ্যা ১০০-এর বেশি। প্রকৃত সংখ্যা সম্ভবত আরো বেশি।

’এল্ডার বলেন, ‘শান্তি চুক্তি বোমা হামলা কিছুটা কমালেও শিশুদের মৃত্যু রোধ করতে পারছে না।’ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা (যারা হতাহতের তথ্য রেকর্ড রাখে) বলেছেন, শান্তি চুক্তির সময়কালে ১৬৫ শিশু নিহত হয়েছে’।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার বিভাগের পরিচালক জাহের আল-ওয়াহিদি জানিয়েছেন, ‘এ ছাড়া এই বছরের শুরু থেকে ৭ জন শিশু শীতের কারণে মারা গেছে।’

ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এল্ডার বলেছেন, দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে গাজার শিশুদের জীবন ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তারা এখনো আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। শিশুদের মানসিক আঘাতের চিকিৎসা হয়নি আর যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, সেই ক্ষত তত গভীর ও সারানো কঠিন হয়ে উঠছে।

গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েলে হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত গাজায় ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ইসরায়েলের টানা বিমান ও স্থল হামলায় গাজার প্রায় ৮০ শতাংশ ভবন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ইসরায়েল ৩৭টি আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাকে গাজায় কাজ করতে বাধা দেয়।

জাতিসংঘ এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত অযৌক্তিক বলে আখ্যা দিয়েছে।

এল্ডার বলেন, আন্তর্জাতিক এনজিও ও মানবিক সাহায্য আটকে দেওয়া মানে জীবন রক্ষার সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া।

তিনি জানান, ইউনিসেফ সাহায্য বাড়ালেও প্রয়োজনের তুলনায় তা এখনো অনেক কম। মাঠপর্যায়ে আরো সহযোগী সংস্থা দরকার।

তিনি আরো বলেন, যখন বড় মানবিক সংস্থা ও বিদেশি সাংবাদিকদের গাজায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, তখন প্রশ্ন উঠছে—শিশুদের দুর্ভোগ বিশ্ব থেকে আড়াল করাই কি এর উদ্দেশ্য? #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ
স্যামসাংয়ের বিরুদ্ধে ১৮৩ কোটি টাকার মামলা করলেন ডুয়া লিপা হলিউডে পা রাখলেন দিশা পাটানি বোর্ডের প্রতি অসন্তোষ, চুক্তিতে সই করেননি অস্ট্রেলিয়ার ৫ তারকা ক্রিকেটার বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো ব্যাংক রেজল্যুশন আইন প্রয়োজন, তবে দাতাদের শর্তে নয় : অর্থমন্ত্রী পুলিশকে ওভারটাইম ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছে সরকার : পানিসম্পদমন্ত্রী দক্ষিণবঙ্গ সাহিত্য পরিষদের সম্মেলন ও কমিটি গঠন সভাপতি প্রফেসর রফিকুল ইসলাম খান, সম্পাদক মোহাম্মদ শাহিন ভূঁইয়া চেক জালিয়াতির মামলায় জামালপুরে জামায়াত নেতা গ্রেফতার উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান