মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আওয়ামী লীগের দোষর, ভুমিদস্যু দুই ভাইয়ের অপতৎপরতার প্রতিবাদে এলাকাবাসি বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন।
সোমবার বিকেল ৫টায় উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নের সন্ন্যাসী বাজার এলাকায় মানববন্ধনে শতাধিক মানুষ অংশ নেয়।
মানববন্ধন থেকে ভুক্তভোগী ওলামাগঞ্জ এনইউ আলিম মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, বানিয়াখালী গ্রামের মোশারেফ হোসেন, আমতলি গ্রামের আব্দুর রশিদ, বানিয়াখালী গ্রামের মো. জালাল মীর, সন্ন্যাসী গ্রামের স্বপন কুমার দত্ত, দুলাল চন্দ্র শিকদার, পান্না মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, ব্যবসায়ী লোকমান হোসেন বয়াতিসহ ৪/৫ গ্রামের নির্যাতিত শতাধিতক মানুষ অভিযোগ করে বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে খাউলিয়া ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আহসান ও তার ভাই রেজাউল আহসান একাছত্র আধিপাত্য বিস্তার করে অতিষ্ঠ করে তুলেন সাধারণ মানুষকে।
তাদের হয়রানিমূলক মামলা, নির্যাতনের স্বিকার হন একাধিক পরিবার। ভুয়া কাগজপত্র সৃষ্টি করে অনেকের জমি বেদখল করে নেয়।
এ রকম খেজুর বাড়িয়া গ্রামের মোশারেফ হোসেন বলেন, তাদের পিতার সাড়ে ২৫ বিঘা জমি নকল কাগজপত্র সৃষ্টি করে বেদখল করে নিয়েছে। তাদের কথার অবাদ্য হলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করতেন।
দুলাল চন্দ্র শিকদারের ১১ শতক জমি মামলায় জড়িয়ে বেদখল করে নিয়েছে।
তিনি বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও প্রভাবশালী হওয়ায় কোন সুরহা পায়নি।
স্বপন কুমার দত্ত বলেন, দুর্গা মন্দিরের ২৫ শতক জমি ৩০ বছর ধরে বেদখল করে রেখেছেন জিয়াউল হাসানের পরিবার। পুরাতন দূগা মন্দিরের অস্তিত্ব মুছে ফেলেছেন। এখন আর সেখানে পূর্জা অচর্না হয়না।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসি মানববন্ধন থেকে জিয়াউল ও রেজাউল আহসানের হাত থেকে রক্ষা পেতে উর্দ্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাধারণ মানুষের বেদখলকৃত জমি ফেরৎ পাওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে রেজাউল আহসান তার পরিবারের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, গত ১১ এপ্রিল জমি সংক্রান্ত জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের একটি তদন্ত টিম এলাকায় তদন্ত চলাকালিন সময়ে আমার ভাই জিয়াউল আহসান ও আমাকে কর্মকর্তাদের সামনে মারপিট করে। এ ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য এ সাজানো মানববন্ধন করা হয়েছে।
সংবাদ প্রেরক বিটিসি নিউজ এর মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি এম.পলাশ শরীফ। #















