BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আমিরাতের হয়ে গুপ্তহত্যা করতেন সাবেক মার্কিন সেনা

মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আমিরাতের হয়ে গুপ্তহত্যা করতেন সাবেক মার্কিন সেনা

বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সাবেক এক মার্কিন সেনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) হয়ে গুপ্তহত্যার মিশনে অংশ নিয়ে লাখ লাখ ডলার আয় করেছেন। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন মতে, সাবেক ওই মার্কিন সেনার নাম আব্রাহাম গোলান। ইয়েমেনের বিশিষ্ট আইনপ্রণেতা আনসাফ আলি মায়ো জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গোলানকে ভাড়া করা হয়েছিল। মায়োর মতে, মূলত এটা ছিল ইয়েমেনের রাজনৈতিক বিরোধীদের নির্মূল করার জন্য আমিরাতের একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।

আদালতের নথি অনুযায়ী, আব্রাহাম গোলান যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগোতে ‘স্পিয়ার অপারেশনস গ্রুপ’ নামে একটি বেসরকারি সামরিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এই প্রতিষ্ঠানে তার সহযোগী ছিলেন সাবেক নেভি সিল আইজ্যাক গিলমোর। তাদের নিয়োগকৃত কর্মীদের অধিকাংশ ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনীর সাবেক সদস্য।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি ইয়েমেনে ‘টার্গেটেড হত্যাকাণ্ড’ বা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু নির্মূল করার জন্য আরব আমিরাতের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছায়। এর বিনিময়ে তাদের প্রতি মাসে ১৫ লাখ ডলার (প্রায় ১৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা) পারিশ্রমিক এবং প্রতিটি সফল হত্যাকাণ্ডের জন্য অতিরিক্ত বোনাস দেয়া হতো।

ইয়েমেনি আইনপ্রণেতা মায়ো ইতোমধ্যে সাবেক দুই মার্কিন সেনা গোলান ও গিলমোর এবং আরেক সদস্য ডেল কমস্টকের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে মার্কিন আদালতে মামলা করেছেন। গোলান ও গিলমোর ইয়েমেনে এই ধরনের মিশনে জড়িত থাকার কথা স্বীকারও করেছেন।

২০১৮ সালে বাজফিডকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গোলান সরাসরি বলেছিলেন, ‘ইয়েমেনে একটি টার্গেটেড হত্যাকাণ্ডের কর্মসূচি ছিল, যা আমি পরিচালনা করতাম। এটি আরব আমিরাতের সরাসরি অনুমোদনপ্রাপ্ত ছিল।’ তবে আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

ভুক্তভোগী মায়ো যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা না হলেও ‘এলিয়েন টর্ট স্ট্যাটিউট’ আইনের অধীনে মার্কিন আদালতে এই মামলা করার সুযোগ পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে বিদেশিরা এই বিশেষ আইনের মাধ্যমে মার্কিন আদালতে বিচার প্রার্থনা করতে পারেন।

সেন্টার ফর জাস্টিস অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটির আইনি পরিচালক ড্যানিয়েল ম্যাকলাফলিন বলেছেন যে, এই মামলাটি সাবেক মার্কিন সামরিক সদস্যদের অবৈধ কার্যকলাপের জন্য জবাবদিহি করার প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।

তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যরা তাদের প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান কীভাবে ব্যবহার করছেন তা নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের সরকারের কর্তব্য, এবং যখন তারা আইন ভঙ্গ করেন তখন তাদের জবাবদিহি করার দায়িত্বও সরকারের।’ #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ
শিক্ষকরাই দেশে সুশিক্ষিত নাগরিক গড়ে তুলতে পারেন — এমপি- মহিত তালুকদার আদমদীঘিতে মাদক কারবারির জেল-জরিমানা ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, থাকবে সরকারি ছুটি ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতার পরিবর্তনের চেয়ে মানসিকতার পরিবর্তন বেশি জরুরি : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সাক্ষাৎ সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কসবায় ২২শত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ জামালপুরে অনলাইনে কবিরাজীর নামে প্রতারণা, ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেফতার বকশীগঞ্জে সাড়ে ১২শ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ