BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- সোমবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

মৃত্যুর আগে স্ত্রীর কাছ থেকে কী বার্তা পেয়েছিলেন দিয়োগো জোতা

মৃত্যুর আগে স্ত্রীর কাছ থেকে কী বার্তা পেয়েছিলেন দিয়োগো জোতা

বিটিসি স্পোর্টস ডেস্ক: বেঁচে থাকলে কোনো না কোনো সময় হয়তো আত্মজীবনী লিখতেন। কিন্তু গত বছরের ৩ জুলাই স্পেনের জামোরায় ভয়াবহ এক সড়ক দুর্ঘটনায় ছোট ভাই আন্দ্রে সিলভাসহ নিহত হয়েছেন লিভারপুলের পর্তুগিজ ফুটবলার দিয়োগো জোতা।

তাই জোতার জীবনী লিখতে হয়েছে পর্তুগালের সাবেক ফুটবলার জোসে মানুয়েল দেলগাদোকে।

পর্তুগিজ ভাষায় জোতাকে নিয়ে লেখা বইটির নাম দেওয়া হয়েছে নুনকা মাইস ই মুইতো তেম্পো, যার বাংলা অর্থ আর কখনো না মানে অনেক লম্বা সময়।

আগামী ৯ এপ্রিল বইটি প্রকাশ করা হবে। বইটি লিখতে দেলগাদোকে সহযোগিতা করেছেন জোতার স্ত্রী রুত কারদোসো, জোতার বাবা-মা জোয়াকিম ও ইসাবেল, পর্তুগাল জাতীয় দলের তিন সতীর্থ রুবেন দিয়াস, রুবেন নেভেস ও বের্নার্দো সিলভা, লিভারপুলের সাবেক ও বর্তমান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ ও আর্নে স্লট, পর্তুগাল জাতীয় দলে কোচ রবার্তো মার্তিনজে ও লিভারপুলের অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক।

সেই বইয়েই জোতার স্ত্রী রুত কারদোসো জানিয়েছেন, স্বামীর মৃত্যুর আগে তিনি তাকে কী বার্তা পাঠিয়েছিলেন।

পতুর্গালের টেলিভিশন চ্যানেল ভি+ ফামার উপস্থাপিকা ইসাবেল ফিগেইরা সম্প্রতি সেই বার্তা প্রকাশ্যে এনছেন। তিনি জানিয়েছেন, বইয়ের একটি অংশ তাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে। রুত যেভাবে শেষ বার্তাগুলো বর্ণনা করেছেন, যেগুলো জোতা দেখে যেতে পারেননি।

উপস্থাপিকা ফিগেইরা বলেন, ‘রুত তাদের বিয়ের ভিডিওটি পাওয়ার পর জোতাকে (মুঠোফোনে) লিখেছিলেন, ‘আমার ভালোবাসা, তুমি যখন থামবে (গাড়ি থামাবে), তখন ফোন দিও।

আমার কাছে তোমাকে দেখানোর মতো কিছু আছে।’ এই ‘কিছু’ ছিল তাদের বিয়ের ভিডিও।”

মৃত্যুর মাত্র ১১ দিন আগে শৈশবের প্রেমিকা রুত কারদোসোকে বিয়ে করেন দিয়োগো জোতা।

পর্তুগাল থেকে ল্যাম্বরগিনি ব্র্যান্ডের সুপার কারে ইংল্যান্ডে যাওয়ার পথে স্পেনের জামোরা প্রদেশের একটি মহাসড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান জোতা।

তবে তার স্ত্রী কারসোদা বইয়ের আরেক অংশে জানিয়েছেন, গাড়ির প্রতি তার স্বামীর খুব একটা আগ্রহ ছিল না, ‘অন্য অনেক খেলোয়াড়ের মতো বিলাসবহুল গাড়ি, গয়না বা ঘড়ির প্রতি তার আকর্ষণ ছিল না।

আমাদের যে গাড়ি ছিল, সেটাই তার জন্য যথেষ্ট ছিল। গাড়ির প্রতি খুব বেশি আগ্রহ না থাকায় সে একবার ফেরারি চালানোর অভিজ্ঞতা নিতে চেয়েছিল, যা সে আমাদের বিয়ের দিন সকালে ফেরত দিয়েছিল। এরপর সে ল্যাম্বরগিনি ভাড়া নিয়েছিল।’

প্রকাশনা সংস্থা কালচারা এডিটরস বইটিকে একটি ‘গভীর আবেগপূর্ণ ও শ্রদ্ধাপূর্ণ কাজ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা শুধু একজন শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবেই নয়, একজন মানুষ হিসেবেও জোতার জীবন ও উত্তরাধিকারকে তুলে ধরেছে। #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ