বিটিসি স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর ফেরার খবর ছড়িয়ে পড়েছিল আগেই। তার পরও আনুষ্ঠানিক ভাবে দল ঘোষণা পর্যন্ত কৌতূহল ছিলই। শেষ পর্যন্ত তিনি ফিরলেন অধিনায়ক হিসেবেই এবং মাঠে নামার পর স্বাভাবিক কার্যক্রমও শুরু হলো দ্রুতই। মাঠে ফেরার ১৮ মিনিটেই দেখা পেলেন গোলের।
তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়ে দুটি ম্যাচ বাইরে থাকার পর অবশেষে ফিরলেন রোনালদো এবং অবদান রাখলেন দলের জয়ে। আল ফাতেহকে ২-০ গোলে হারিয়ে আল নাস্র ধরে রাখল সৌদি প্রো লিগের পয়েন্ট তালিকার দুই নম্বর স্থান।
প্রকিপক্ষের মাঠে অষ্টাদশ মিনিটে রোনালদোর গোলের পর ৭৮তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ান আল ইয়াহিয়া।
আলোচিত ধর্মঘট বা গত কিছুদিনের বিতর্ক নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কিছুই বলেননি রোনালদো। এই ম্যাচের পর সামাজিক মাধ্যমে তার ছোট্ট প্রতিক্রিয়া, “আরেকটি ধাপ সামনে, চলো এগিয়ে যেতে থাকি।”
সৌদি লিগে আল নাস্রের সবশেষ দুই ম্যাচে ছিলেন না রোনালদো, যেটিকে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে ধর্মঘট হিসেবে। সেটির পেছনে উঠে এসেছে নানা কারণ।
সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফার্মের (পিআইএফ) নানা কার্যক্রমে তিনি বিরক্ত ও অসন্তুষ্ট বলে জানা যায় সংবাদমাধ্যমের খবরে।
বিশেষ করে, তাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী আল-হিলালে বিনিয়োগ ক্রমেই বাড়াচ্ছে পিআইএফ এবং একের পর এক ফুটবলার কিনছে তারা, সেই অনুযায়ী আল-নাস্র বঞ্চিত হচ্ছে বলেই মনে করছিলেন পর্তুগিজ তারকা।
এছাড়া নিজেদের ক্লাব পরিচালনার নানা দিক নিয়েও প্রশ্ন ছিল অধিনায়কের।
বিতর্কের মধ্যেই আল নাস্রে রোনালদোর অবদানের কথা উল্লেখ করেই তাকে সর্তক করে দেয় সৌদি লিগ কর্তৃপক্ষ। পরে সূত্রের বরাত দিয়ে ইএসপিএন জানায়, রোনালদোর মূল দাবিগুলো মেনে নিয়েছে পিআইএফ।
বিশেষ করে, আল নাস্রের পাওনা পারিশ্রমিক শোধ করা হয়েছে এবং ক্লাবের শীর্ষ নির্বাহীদের ব্যবস্থাপনার স্বায়ত্তশাসন ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তাতেই আপাতত জটিলতার অবসান।
এই গোল নিয়ে চলতি লিগে ১৯ ম্যাচে রোনালদোর গোল ১৮টি। তার ওপরে আছেন কেবল আল-আহলির ইংলিশ ফরোয়ার্ড আইভন টোনি (২০ গোল)। #















