আজ- মঙ্গলবার, ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

  করোনাকালে মরুভূমিতে বসিয়ে রাখা হয়েছে অসংখ্য বিমান       সবুজ বাংলাদেশ সুবর্ণচর শাখার ঈদপূর্ণমিলন ও পরিচিত সভা এবং বৃক্ষরোপন কর্মসূচি       তিস্তায় বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন       রাজ্যে লকডাউন’র দিন বদল, নতুন তালিকা প্রকাশ করল নবান্ন       করোনাকালে দেশের রেমিট্যান্স ও রিজার্ভে রেকর্ড       নেপালে আবারও ভূমিধসে ১০ জন’র মৃত্যু       ইংল্যান্ড দল’র ব্যাটিং কোচ’র দায়িত্ব পেলেন ট্রট       শান্তিতে নোবেলজয়ী জন হিউম’র প্রয়াণ       ভ্রমণ পিয়াসীদের পদচারণায় ৫ মাস পরে মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজশাহীর চিড়িয়াখানা ও পদ্মাপাড়       নবীগঞ্জে করোনায় মারা গেলেন চিত্তরঞ্জন দাশ       উজিরপুরে মসজিদ কমিটিকে কেন্দ্র করে যুবলীগ সম্পাদকসহ আহত ৫       বাগেরহাটে ইয়াবাসহ দু’বোনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ       রাজশাহীতে লুকু-কালুর জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান, কালুসহ-১২ জুয়াড়ী আটক       নাগেশ্বরীতে শহীদ সাফাত সড়কের নামফলক উন্মোচন        উজিরপুরে জুয়াড়ী রফিক গণধোলাইয়ের শিকার       আফগানিস্তান কারাগারে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত-২১, আহত-৪৩    

‘দেশের সব হাসপাতালে আইন অনুসারে তামাকবিরোধী সাইনেজ স্থাপন করতে হবে’


প্রেস বিজ্ঞপ্তি: দেশের সব হাসপাতালে আইন অনুসারে পর্যাপ্ত পরিমাণ তামাকবিরোধী সাইনেজ স্থাপনের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অনুরোধ জানিয়েছেন ডা. হাবিবে মিল্লাত এমপি। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রি বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।

আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশেষ অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত লাইন ডিরেক্টর ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রামের ম্যানেজার ডা. রায়হান-ই-জান্নাতকে তিনি এই অনুরোথ জানান। সেই সাথে তামাক কর কাঠামো সংস্কার ও কর বাড়াতে ১০০ এমপিকে নিয়ে কাজ করার ঘোষণা ডা. হাবিবে মিল্লাত।

সেমিনারে ঢাকার সব সরকারি হাসপতালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন পরিস্থিতি জানতে পরিচালিত জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুসারে দেশের হাসপাতালগুলো সম্পূর্ণ তামাকমুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, ঢাকার ৭১% সরকারি হাসপাতালে ধূমপান হয়, এমন প্রমাণ হিসেবে সিগারেটের বাট, ধোঁয়ার গন্ধ ইত্যাদি পাওয়া গেছে। আর এক-তৃতীয়াংশ হাসপাতালে কাউকে না কাউকে সরাসরি ধূমপান করতে দেখা গেছে।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের অ্যান্টি-টোব্যাকো প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম অফিসার ডা. আহমাদ খাইরুল আবরার সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, ঢাকার ৫১টি হাসপাতালে জরিপটি পরিচালিত হয়। জরিপে ঢাকার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ হাসপাতালে ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহারের প্রমাণ হিসেবে পানের পিক, চুনের দাগ দেখা গেছে। আর সরাসরি ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহার করতে দেখা গেছে প্রায় অর্ধেক হাসপাতালে (৪৫%)। জরিপে দেখা যায়, ঢাকার ৮০ শতাংশ সরকারি হাসপাতালের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক পণ্য বিক্রি হয়। এমনকি ১৮ শতাংশ হাসপাতালের সীমানার মধ্যেই এমন দোকান রয়েছে।

অপরদিকে হাসপাতালগুলোতে আগত রোগী ও দর্শনার্থীদের তামাক ছাড়ার ব্যাপারে সহায়তা দিতে তামাক নিবৃত্তকরণ ক্লিনিক থাকা জরুরি। কিন্তু ৫১টি হাসপাতালের মধ্যে মাত্র একটিতে এই সুবিধা রয়েছে।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিক। সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়েল উপ-সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য) জনাব শামীমা ফেরদৌস, বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষা নিরোধ সমিতির সভাপতি জনাব মোজাফফর হোসেন, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহসহ বিভিন্ন তামাকরিবোধী সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

সেমিনারে উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, তামাকজাত দ্রব্যের মধ্যে মধ্যে সিগারেট, বিড়ির মতো ধোঁয়াযুক্ত পণ্যগুলো শুধু সেবনকারীর স্বাস্থ্যেরই মারাত্মক ক্ষতি করে না, বরং আশেপাশের মানুষেরও সমান ক্ষতি করে। পরোক্ষ ধূমপানের ফলে ফুসফুসের ক্যান্সার, হৃদরোগ, শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা, স্ট্রোক ও প্রজনন সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস) ২০১৭-এ দেখা যায়, হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও প্রায় ১৩ ভাগ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়।

হাসপাতালগুলোকে তামাকমুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের সচেতন হওয়া জরুরি বলে মত দেন বক্তারা। কারণ, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক রোগী এবং দর্শনার্থী হাসপাতালে আসেন। এছাড়া সেখানে চিকিৎসক, সেবিকা, টেকনিশিয়ানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রয়েছেন। স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের হার কমাতে এবং রোগী ও অন্যান্যদের পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচাতে হাসপাতালগুলো তামাকমুক্ত রাখা জরুরি। হাসপাতালগুলো শতভাগ তামাকমুক্ত হলে সেখানে কর্মরত চিকিৎসক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং আগত রোগী, দর্শনার্থী ও অন্যান্যদের মধ্যে তামাক থেকে বিরত থাকার প্রবণতা বাড়বে।

সংবাদ প্রেরক মাহামুদ সেতু, মিডিয়া ম্যাজোর, অ্যান্টি-টোব্যাকো প্রোগ্রাম, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ। #

PRESS RELEASE: All hospitals in the country must have anti-tobacco signage according to the tobacco control act. Dr. Habibe Millat MP requested DGHS to ensure the regulation immediately. He also requested to take legal measures to stop the sale of tobacco within 100 meters of hospitals.

He said this while addressing a seminar organized by the National Heart Foundation of Bangladesh at the National Press Club on Monday. In the event he requested the acting line director of the Health Department and Manager of Non-communicable Disease Control Program Dr. Rayhan-e-Jannat He referred to this as Raihan-i-Jannat, who was a special guest. Dr. Habibe Millat also announced to work with 100 MPs to reform the tobacco tax structure and raise taxes.

The seminar was organized to disseminate the results of a survey conducted to assess the implementation situation of tobacco control act in all government hospitals in Dhaka. Under the Tobacco Use (Control) Act, hospitals in the country are supposed to be completely tobacco free. But the reality is that, the survey found evidences of smoking such as cigarette butt, smell of smoke in 71% the public hospitals in Dhaka. Although smoking was seen in one-third of the hospitals.

Program Officer of the Anti-Tobacco Program of the National Heart Foundation of Bangladesh presented the keynote paper at the seminar on Khairul Abrar. He said the survey was conducted in 51 hospitals in Dhaka. Nearly two-thirds of the hospitals in Dhaka have been found to have evidences of smokeless tobacco use. And smokeless tobacco use has been reported in almost half of hospitals (45%). According to the survey, tobacco products are sold within 100 meters of the 80 percent government hospital in Dhaka. Even there are 18 percent hospitals, where tobacco products are sold within the hospital premises.

On the other hand, it is important to have a tobacco cessation clinic to assist patients and visitors to the hospital to quit tobacco. But only 2% of hospitals in the capital have this facility.

The seminar was presided over by National Professor of National Heart Foundation of Bangladesh Brigadier (retd) Abdul Malik. Among others, Shamima Ferdous, Deputy Secretary (World Health) Ministry of Health and Family Welfare, Mr. Mozaffar Hossain, President of Bangladesh National Anti-Tuberculosis Association, Prof. Dr. Mollah Obaydullah, president of Bangladesh Cancer Society and members of different anti-tobacco organizations attended the seminar.

Speakers at the seminar said that smoked tobacco products such as cigarettes and biri do not only cause serious harm to the health of the consumers, but also to the people around them. Indirect smoking can lead to lung cancer, heart disease, respiratory problems, stroke and reproductive problems. In the Global Adult Tobacco Survey (GATS) 2017, about 13 percent of people suffer from indirect smoking, even in important places like hospitals.

Speakers said it is important for the authorities to be aware of keeping the hospitals’ tobacco free. Because, every day a large number of patients and visitors from different parts of the country come to the hospital. Besides, there are doctors, nurses, technicians and other officers and employees. To reduce the rate of tobacco use among health workers and to prevent the harmful effects of indirect smoking on patients and others, hospitals must remain tobacco-free. If hospitals are 100 percent tobacco-free, there will be an increased tendency for doctors, officers, staff and incoming patients, visitors and others to refrain from tobacco.

Mahamud Setu. Media Manager, Anti-tobacco Program. National Heart Foundation of Bangladesh. #

Comments are closed.