রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর নগরীর একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে সিজারিয়ান অপারেশনের পরপরই নবজাতক উধাও হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এ ঘটনায় গাইনী প্রাকটিস পরিচয়কারী শিল্পী বেগমের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। চার দিন পর নবজাতক ফিরে পেলেও ক্লিনিকের ভূমিকা ও দত্তক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে, রংপুর নগরীর ইডেন ক্লিনিকে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে এক নারী সন্তানের জন্ম দিলেও জন্মের পর নবজাতককে আর মায়ের কাছে আনা হয়নি। বিষয়টি জানতে চাইলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বলে দাবি পরিবারের।
নবজাতকের বাবা বিটিসি নিউজকে বলেন, সন্তানের জন্মের পর থেকেই তারা উৎকণ্ঠায় ছিলেন। কোথায়, কীভাবে শিশুটি রাখা হয়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।
অন্যদিকে নবজাতকের মা অভিযোগ করেন, সন্তান মেয়ে হওয়ায় শিল্পী বেগম নামের এক নারী তাঁকে শিশুটি অন্যের কাছে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে চার দিন পর নবজাতককে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর সামনে আসে গাইনী প্রাকটিস পরিচয়কারী শিল্পী বেগমের নাম। তিনি রংপুরের শ্যামপুর এলাকায় বসবাস করেন। স্থানীয়দের অনেকেই তাঁকে নবজাতক দত্তক দেওয়ার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চেনেন। শিল্পী বেগম গাইনী প্রাকটিস করার বিষয়টি স্বীকার করলেও দাবি করেন, নবজাতকটি চুরি হয়নি, বরং একটি পরিবারের অনুরোধে দত্তক দেওয়া হয়েছিল।
দত্তক নেওয়া পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘদিন সন্তান না থাকায় পারিবারিক সিদ্ধান্তেই নবজাতকটি নেওয়া হয়েছে।
যদিও ঘটনায় আপাতত কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেনি, তবে বেসরকারি ক্লিনিকের নজরদারি, অবৈধ গাইনী প্রাকটিস এবং গোপন দত্তক ব্যবস্থার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সংবাদ প্রেরক বিটিসি নিউজ এর রংপুর প্রতিনিধি এস এম রাফাত হোসেন বাঁধন। #















