বিটিসি স্পোর্টস ডেস্ক: আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ভিএআরের দীর্ঘক্ষণ ধরে পর্যালোচনার পর পাউ কুবার্সির গোল বাতিল করার সিদ্ধান্তে ভীষণ ক্ষুব্ধ ফ্রেংকি ডি ইয়ং।
বার্সেলোনা অধিনায়কের দাবি, টেলিভিশনে দেখানো ছবিতে কোনো অফসাইড ছিল না। এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিকও।
কোপা দেল রের সেমি-ফাইনালের প্রথম লেগে বৃহস্পতিবার আতলেতিকোর মাঠে প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে বার্সেলোনা। ৫২তম মিনিটে লামিনে ইয়ামালের ফ্রি-কিকে বক্সের বাইরে থেকে ফের্মিন লোপেসের শট বক্সে আতলেতিকোর এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে, বার্সেলোনার রবের্ত লেভানদোভস্কির পা ছুঁয়ে পেয়ে জালে পাঠান কুবার্সি। ব্যবধান কমানোর উচ্ছ্বাস তখন বার্সেলোনার শিবিরে।
অফসাইড ছিল কি না, সেটা পরীক্ষা করে দেখা হয় তখন। ‘সেমি-অটোমেটেড’ অফসাইড প্রযুক্তি কাজ না করায়, ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) ম্যানুয়ালি লাইন এঁকে পর্যালোচনা করে দেখেন আট মিনিট ধরে। এরপর অফসাইডের সংকেত দেন রেফারি।
বাকি সময়ে আর কোনো গোল হয়নি। ৪-০ গোলেই হেরে যায় কোপা দেল রের গতবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা।
ম্যাচের পর ‘মিক্সড জোন’-এ কথা বলার সময় আলোচিত ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডাচ মিডফিল্ডার ডি ইয়ং।
“ছবিটি পরে দেখেছি আমি এবং স্পষ্ট দেখতে পাবেন যে, কোনো অফসাইড ছিল না।
টেলিভিশনে অফসাইড সম্পর্কিত দেখানো ছবিতে, বলে স্পর্শ দেখতে পাবেন না এবং তারপর ছবিতে দেখতে পাবেন ফের্মিন শট করছে এবং রবের্তের (লেভানদোভস্কি) এক মিটার পেছনে রয়েছে ডিফেন্ডার। আমার মনে হয় এটা খুবই অদ্ভুত।”
“তিনি (রেফারি মার্তিনেস মুনুয়েরা) খুব বেশি কিছু করতে পারবেন না, কারণ তিনিও অপেক্ষা করছিলেন। তার কাছে ছবি বা ভিডিও ছিল না। কিন্তু ভিএআরের তো আছে।
যে ছবিটি আমি দেখেছি, সেটি যদি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) না হয়… যদি এটি সত্যিকার ছবি হয়, তাহলে এটি (গোল বাতিল) কলঙ্কজনক, কারণ সবকিছু খুব স্পষ্ট।”
ঘটনার সময়ই টাচলাইনে চতুর্থ অফিসিয়ালের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় ফ্লিককে। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে এই জার্মান কোচও সিদ্ধান্তটির সমালোচনা করেন।
“আমার মতে, এই ধরনের পরিস্থিতি সমাধানের জন্য এত সময় অপেক্ষা করা পাগলামি। সাত মিনিট, একবার ভাবুন… আমি যখন রিপ্লে দেখেছিলাম, তখন স্পষ্ট ছিল যে, কোনো অফসাইড ছিল না।” #















