ব্রেকিং নিউজ

আজ- রবিবার, ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৭ই জুন, ২০২০ ইং

শিরোনাম

  রাজশাহী বিভাগে আরও ৮৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত এযাবত আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ২৮৭ জন!       খুলনায় আরো একজনের করোনায় মৃত্যু       রাণীশংকৈলে তিনজন করোনা আক্রান্ত রোগী সনাক্ত       লকডাউনে হেয়ার ” স্টাইলিস্ট ” কাটে জরিমানা দিলেন আট লক্ষ টাকা       খুলনায় ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর বিচার দাবিতে কলেজ ছাত্রীর সংবাদ সম্মেলন        অজ্ঞাত ব্যাক্তির ফেলে যাওয়া শপিং ব্যাগ থেকে নবজাতক শিশু বাচ্চা উদ্ধার !       বেলকুচিতে শালিসী বৈঠককে কেন্দ্র করে ৪০টি মােটরসাইকেল ভাংচুর, আহত ১০       হাসপাতাল থেকে “কোভিড-১৯” রোগী ফেরালে কঠোর ব্যবস্থা : অরবিন্দ       খুলনায় ‘কৃষি ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন’ এর ফ্রি বীজ বিতারণ       রাজশাহীতে করোনায় আরো ৩ জন আক্রান্ত       দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় মারামারি মামলার আসামী আটক       দামুড়হুদার কুড়ুলগাছিতে অর্ধশতাধিক পরিবার পানিবন্ধি       র‌্যাব-৫ রাজশাহীর মাদক বিরোধী অভিযান ৩৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ আটক- ১       যুবলীগ নেতার ছেলেকে মারপিট ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি ভাঙচুর       হাসপাতাল থেকে রোগী ফেরত দেয়া মানবতাবিরোধী : তথ্যমন্ত্রী       সরকার সমালোচনাকে যমের মতো ভয় পাচ্ছে : মির্জা ফখরুল    

ওজন কমানো থেকে লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষা, জিরের গুণাগুণ

বিটিসি নিউজ ডেস্ক: শুধু স্বাদকোরকের তৃপ্তিই নয়। জিরা মশলার বেশীরভাগই আয়ুর্বেদিক গুণাগুণে সমৃদ্ধ। সে রকম গুণসম্পন্ন মশলার মধ্যে জিরা অন্যতম। রান্নার এর বহুল ব্যবহার। পাশাপাশি, ইউরোপে,বিশেষ করে পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের রান্নাতেও জিরে দেওয়া হয়। খ্রিস্টের জন্মের কয়েক হাজার বছর আগে প্রাচীন পারস্য, ব্যাবিলন এবং মিশরীয় সভ্যতায় জিরে খাওয়ার প্রচলন ছিল।

রান্নার স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি জিরের স্বাস্থ্যসম্মত গুণাগুণ প্রচুর :-

হজমে সাহায্য:

বহুদিন ধরেই জিরের ব্যবহার হয়ে আসছে হজমের সহায়ক হিসেবে। জিরের প্রভাবে বাড়ে হজমে সহায়ক উৎসেচকের ক্ষরণ। ফলে হজমের প্রক্রিয়া দ্রুত হয়।তা ছাড়া জিরের জন্য যকৃৎ বা লিভার থেকে পিত্ত বা বাইল ক্ষরণ বাড়ে। এই পিত্ত-ও সাহায্য করে পরিপাক ক্রিয়ায়।

লোহার উৎস:

জিরের দানা প্রাকৃতিক ভাবে লোহার উৎস। এক চামচ জিরেগুঁড়োয় আছে ১.৪ মিলিগ্রাম লোহা বা আয়রন।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:

আধুনিক গবেষণা বলছে, শরীরের ক্ষতিকারক ট্রাইগ্লিসারইড নিয়ন্ত্রিত থাকে জিরের প্রভাবে।

সরাসরি জিরে সেবনের পাশাপাশি জিরে ভেজানো জলের উপযোগিতার কথাও বলা হয়েছে আয়ুর্বেদে। রাতে এক কাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন অর্ধেক চামচ জিরে। সকালে উঠে খালি পেটে পান করুন। অনেকে গোটা জিরে ফুটিয়েও মিশ্রণ বানান। তারপর ওই ঈষদুষ্ণ জল পান করেন। জিরে মিশ্রিত জল পান করার গুণাগুণ অনেক। আসুন দেখে নিই এই মিশ্রণ পান করার ভাল দিক কী কী:

# হজম প্রক্রিয়া এবং পাকস্থলীর স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক

# বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

# অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হজমের গণ্ডগোল কম রাখতে সাহায্য করে। মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ায়।

# রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

# মধুমেহ রোগীদের জন্যও উপকারী।

# নিয়্ন্ত্রণে থাকে উচ্চরক্তচাপ।

# ভাল থাকে লিভারের স্বাস্থ্য।

# রক্তাল্পতা দূর করে কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

# চুলের জেল্লা বজায় থাকে।

# বয়সের ছাপ মুছে এবং ব্রণ দূর করে ত্বকের চাকচিক্য ধরে রাখে।

এ বার সময়ে অসময়ে আপনার মুশকিল আসান হবে মশলার কৌটোর এই সদস্য-ই#

Comments are closed.