BTC News | বিটিসি নিউজ

আজ- সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

আজ- ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইরানের ওপর সীমিত সামরিক হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প

ইরানের ওপর সীমিত সামরিক হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প

বিটিসি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটাতে ইরানের ওপর পুনরায় সীমিত আকারে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধের পাশাপাশি এই বিমান হামলাকে আলোচনার টেবিলে তেহরানকে নমনীয় করার অন্যতম কৌশল হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টারা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রোববার পাকিস্তানে আলোচনা ভেঙে পড়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্পের সামনে এই সামরিক বিকল্পগুলো তুলে ধরা হয়। মূলত কূটনৈতিক স্থবিরতা কাটিয়ে ইরানকে নতুন করে শর্ত মেনে নিতে বাধ্য করতেই এমন কঠোর পদক্ষেপের কথা ভাবছে হোয়াইট হাউস।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের সামনে পূর্ণমাত্রায় বোমাবর্ষণ শুরু করার মতো বিকল্পও রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদী সামরিক যুদ্ধে জড়ানোর প্রতি প্রেসিডেন্টের অনীহার কারণে বড় ধরনের হামলার সম্ভাবনা আপাতত কম বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

এর পরিবর্তে তিনি হরমুজ প্রণালিতে একটি সাময়িক নৌ-অবরোধ বজায় রাখার কথা ভাবছেন। একই সাথে তিনি মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেন যাতে ভবিষ্যতে এই প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের সময় দীর্ঘমেয়াদী সামরিক প্রহরার দায়িত্ব তারা গ্রহণ করে।
hormuz

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প রোববারের বেশিরভাগ সময় মিয়ামিতে তার নিজস্ব রিসোর্টে কাটিয়েছেন। সেখানে তিনি ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে কথা বলেন, গলফ খেলেন এবং তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের সাথে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

ট্রাম্পের সহযোগীরা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এখনো একটি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রেখেছেন। তবে একই সাথে তিনি হরমুজ প্রণালি অবরোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার নতুন হুমকি দিয়েছেন। সামরিক ও কূটনৈতিক এই দ্বিমুখী চাপের মাধ্যমে তেহরানকে একটি ‘চূড়ান্ত চুক্তিতে’ সই করতে বাধ্য করাই এখন ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য।

হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র ট্রাম্পের বিবেচনাধীন এসব সুনির্দিষ্ট সামরিক বিকল্প নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে ১০ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ট্রাম্পের এই নতুন সামরিক পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিয়েছে।

বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক দেশগুলো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন কঠোর অবস্থান শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত সামরিক হামলার নির্দেশ দেন নাকি নতুন কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা করেন। #

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

ব্রেকিং নিউজ
স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে কোইকা কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি স্পেনের রিয়ালকে হারিয়ে লিগ শিরোপা ঘরে তুললো বার্সেলোনা প্যারোলে মুক্তি পেলেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিলে হরমুজ প্রণালি পার হওয়া সহজ হবে না : ইরান পুলিশ বাহিনীতে চেইন অব কমান্ড ভাঙলে ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে বেশ কিছু নতুন বিশ্ববিদ্যালয় আসার পথে : শিক্ষামন্ত্রী উজিরপুরে ঔষধ কোম্পানির প্রতিবাদী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হাম-রুবেলা টিকাদানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, শতভাগ সফলতা অর্জন রাজশাহী মহানগরীতে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার-৩৬